মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের ইতিহাস

 

“ মহালছড়ির  নামকরনের ইতিহাস ”

  

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় মহালছড়ি উপজেলা ্একটি ২য় বৃহত্তম জনবহুল এলাকা। ১৯০৬ সনে মহালছড়ি একটি বিট ¯া’পিত হয়। ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ সনে মহালছড়ি থানা নামকরন বা স্থাপিত হয়। জানা যায়, ইতিপূর্বে মহালছড়ি এলাকায় গুটিকতক ছোট নালা বা ছড়া ছিল। ঐ নালায়/ছড়ায় প্রচুর মাল-মাছ ও রুই, কাতলা মাছ পাওয়া যেত। প্রচুর মাল অর্থাৎ মৃগেল মাছের নামানুসারে মাল হতে মহালছড়ি নাম নামকরন হয়। আরো লোকমূখে জানা যায়, ইতিপূর্বে মহালছড়ি এলাকা ত্রিপুরা রাজার শাসনে ছিল। সে সময় ত্রিপুরা মহা-রাজা একটা মহল নির্মান করে খাজনা বা কর আদায় করতেন। মহল নামানুসারে মহাল নামকরন উৎপত্তি বলে জানা যায়।

 

 

“ মহালছড়ি ধুমনীঘাট - একটি ঐতিহাসিক ঝর্না ”
            

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অন্তর্গত মহালছড়ি উপজেলাধীন মহালছড়ি সদর ০১ নং ইউনিযন পরিষদের ০৯ নং ওয়ার্ডে ধুমনীঘাট এলাকা একটি ঐতিহাসিক প্রসিদ্ধ স্থান। বিস্বস্ত-সুত্রে জানা যায়, এক সময়ে পাক-ভারতে সম্রাজ্ঞ রাজাধিরাজ দশরত রাজা ছিলেন। সেই সময় ছিল ত্রাবরযুগ। ত্রাবরযুগে সনাতন ধর্মে অন্যতম সম্রাজ্ঞ-রাজ মহা-ভারত বর্ষের উত্তরাধিকারী মহারাজ ধশরথ রাজার সন্তান রাম, লক্ষন। সেই যুগের সময় ছেলে-সন্তান ও পুত্রবধু পিতা-মাতার আনুগত্য ছিলেন। পিতার নির্দ্দেশে মহাপুরুষ রাম, লক্ষন ও সীতা (রামের স্ত্রী) বনবাসে যান। বনবাসের পরিভ্রমন কালীন একসময় ধুমনীঘাট ঝর্না এলাকায় পেীঁছলে মহাপুরুষেরা (রাম, লক্ষন ও সীতা) বিশ্রাম করার জন্য কিছু দিনের অবস্থান করেন।্ অবস্থান করার সময় তাঁরা ঐ ঝর্নায় গোসল করতেন এবং সীতা বাঁধ-বেঁধে ঝর্নার পানির মুখ দ্বার অন্যমূখী করেছিলেন বলে চিহ্ন দেখা যায়। ঐ সময় ঝর্নায় মহাপুরুষের আবির্ভাবের কারনে বর্তমানে ঐতিহাসিক স্মৃতি হিসাবে এখনো কিছু আলৌকিক সত্যতা প্রমাণ পাওয়া যায়। 


Share with :

Facebook Twitter